চেনা ছক
সারা শরীর জুড়ে আলো ছড়িয়ে দিলে জ্ঞান
শ্রদ্ধায় অবনত মাথা আশ্রয় নেয় গুণীর স্মরণে
অথচ প্রতিনিয়ত কোলাহলে হারিয়ে যাই
সব সম্পর্ক দু’হাতে ভাঙি নীরব অভিমান যন্ত্রনায়
প্রেম-প্রীতি ও শুভেচ্ছার বন্ধন আশ্রয় নেয় পকেট অভিধানে
শুধু ভালো থাকার জন্যেই সংরক্ষণ হয় বেঁচে থাকার নিয়মাবলী
আর শুভ্রদের মত ছেলের মা-বাবারা ছাদহীন রয় প্রাচীন শহরে
সভ্যতার রাস্তায় এক হাঁটু কাদা মাখামাখি দূষন সর্বত্র
খোঁজ-খবরের কেরামতি কি ঘুচাবে বিবেক দংশন!
তবুও ভালো লাগে অন্য খবরে; মা ও ছেলেকে আগলে রেখেছে বেলদা
ভিন্-গাঁ, আশ্রয়হীন সন্তানেরাও ফেরে ঘরে; শান্ত নেপালের জয়ী গণতন্ত্র
তবুও অবিশ্বাসী মনে সব কিছু ঠিকঠাক চিনে নিতে পারছি কি মা?
দাগ
এখনো দাগ লেগে আছে যন্ত্রণার অপুষ্ট শরীরে
দীর্ঘ সময়ের আধার ঘসে ব্যথারা সোহাগ স্পর্শ খোঁজে
ভিখিরি প্রেম; পিঠ ঠেকা দেওয়ালের যাপনে ...
কবে কার রেখে দেওয়া দিনানিপাতের আড়াল থেকে
হা-হা মরমিয়া মন বৃষ্টিপাতের শব্দ শোনে –
জটলা বাঁধায় – প্রতিরাতের স্বপ্নের হাত ধরে আর
রাত জাগা শিহরে পাখার হাওয়ায় ফরফর ওড়ে
‘যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিল’ পাতারা দৃশ্য থেকে দৃশ্যান্তরে।
তুমি বলেছিলে মা, মানুষকে চিনতে ও জানতে হলে
তাদের সাথে মিশতে হয় – ভালবাসতে হয় খোকা –
শ্রদ্ধা ও সম্মান জ্ঞাপনে তুমিও আপন হবে একদিন তাদেরই কাছে ...
অথচ ভালোবাসতে-বাসতে প্রতিনিয়ত ঠকছি ভদ্রতার আড়ালে।
|