ম্যাজিক
আমি যে জঙ্গল দেখছি সেরকম একটু পরে
আর সেরকম থাকবে না
তুমি যে কথা বললে সে রকম ভাবেই কথা
আর একটু পরে আলাদা
আমি যে মায়ের সঙ্গে কথা বলছি মা কিন্তু একটু পরে
আর সেরকম থাকবে না।
যা পেরিয়ে যায় তা আর আসে না
হয়তো অন্যভাবে অন্য কোনখানে দেখতে পাবো
তাই তুমি যে জঙ্গলের মধ্যে চলছো
পরদিন আমি হয়তো সেই জঙ্গলের মধ্যেই
অন্য জঙ্গল ভেবে চলবো।
এভাবেই চিরন্তন ম্যাজিক হতে হতেই
একদিন আমরাও কেমন আগের থেকে
একটুআলাদাহয়েযাবো।
একটি গদ্যের জন্মদিন
কয়েকশো বছর আগে যে নির্মল দেখেছিলাম আজ নির্মলের
সঙ্গে তার মিল আছে কি? জানি না আমি। হয়তো কয়েকশো
বছরের নির্মল আদি-আদিম-মাটি নিয়ে ব্যস্ত, এই নির্মলকে
নিজের মত করে নিতে। কিংবা সে হয়তো আবার ফিরে এসেছে
এই ছোট্ট সংসার, ছোট্ট জীবন হয়তো কবিতাও লিখে।
সবই অজানা। কিন্তু আমি যে নির্মলকে পেলাম, সে ঈশ্বরের পূর্ণতা
লাভ করে রাঙিয়ে দেয় আমার অন্ধদুটো চোখ তাই একদিন
অজান্তে কোন এক কবিতা উৎসবে মুখোমুখি দাঁড় করাবো –
দুই নির্মল ঈশ্বর যুগল কে।
একটি সুইসাইড কবিতা
আজ এই অবেলায় এতো কবির ভিড়ে তোমাকে চিনি না। তুমি
ঐ বেদিতে বসে আরো হাজার বছর তপস্যা করো, কংকাল
করো সারা শরীর। তোমার প্রতিটি হাড়ে মাখানো হোক
মফস্বলের তাজা নুন আর রক্ত। হাড়ের গ্রন্থে গ্রন্থে
জন্মদিন পেরিয়ে আসা বেদ, উপনিষদ, রামায়ণ, মহাভারত।
হাতের ভেতর ভেতর ভরে উঠুক নব জোনাকির আলো। সমূহ
বিষাদ উড়ে যাক মাথার গ্রন্থে গ্রন্থে ।
|