name
প্রথম পাতা কবিতা  

 

 

 

দেবাশীষ বাগচী

অন্যান্যদের কবিতা

অনুপমা হক

অমিত মজুমদার

কৌশিক আহমেদ

জয়িতা গাঙ্গুলী

দেবাশীষ বাগচী

রাশেদুল ইসলাম পিয়াল

রাদ আহমেদ

রোহণ কুদ্দুস

রিমি দে

সুব্রত অগাষ্টিন গোমেজ

শরৎ চৌধুরি

 



মিছিলে

কখনো বার-নাচ
কখনো ধানমাথা
মিলাবো ছন্দে
জীবনানন্দের

হাজারো জল – ঝড়
খুন্নিবৃত্তির
মহাপ্রচেষ্টায়
মিছিলে হাঁটছি

 

পর্বত অভিযান

দিতে পারো নিঃশব্দ,
পারো দিতে সামান্য আড়াল?
আবেদনে অট্টহাসি মহান ব্রহ্মা
আগ্নেয় লাভা আর অনাদি সংসার

পাখাধারী পিপিলিকা হতে চাস- মুর্খ পাথর?

লাল ও সবুজ দু'রঙের গোটানো পাখা
ট্রেনহীন নিঃসঙ্গ স্টেশান

উলংগ ইস্পাত, কংক্রীট মায়া

তুমিও ধিক্কার নাও, মহা পিতা
সুচীপত্র শেষে জলবায়ু ঠিকই বদলায়
পথের উলটো পথে পৌঁছাবো চূড়ায়

অবাধ্য হাওয়ার মত খুলে খুলে যায় সবুজ।।

 

জোয়ার সম্ভাবনা

বড় অভিমান চড়া স্রোত ভিতরে ভিতরে
ইতরজনের মত সামান্যে শব্দাহত হই
ছই এর মাথায় তাকাই, ভাবি,
ঢেউ গুনি, অবসরে সাজাই অক্ষর

প্রাংশু সকাল কথা দিয়েছিল- সিঁদুরের মত
সকাল হবে কোন একদিন
সুর্যোদয়ের পরে প্রতিদিনই ধোঁকা
মেঘ-কুয়াশার রান্নাঘরে

ভাতগন্ধে অভিমান তরকারি মেখে
গ্রাস হাতে বসে থাকি, মুখগহবরে ঘা
অন্ন ধ্বংসে কতটুকু লাভ?
বরং শিল্প করি - নির্মাণে থাকোনা কলম!

কিশোরী নূপুর বাজাও, সারি জারি গান
জোয়ার আসছে, হাঙর কুমির - সাবধান


দহনবৃত্ত

প্রতিদিন দাম্পত্যফুলে ইষ্পাতফার্নেস তাপ রাখো
ইচ্ছামাছগুলি হাঁপিয়ে ওঠে সাজানো অ্যাকোরিয়ামে
সন্ত্রস্ত মনের রং কালো খোঁজে, আর
নষ্টালজিক মন্দির চাতালে কত স্মৃতি ঘন্টা বাজায়

স্বপ্নের শরীর জুড়ে কর্কটক্ষয়, ভয় করে
কর্তব্যকর্মের দিনভুলি হেঁটে যাই অবচেতনে
জঠর আগ্নেয়গিরি, বৃত্তাকার খোলামুখে
পুঁতে রাখি বিবর্ণ ধ্বজাগুলি – বিপন্নতায়

এসো দাহ খাবো, দুজনেই আজ
প্রসাদী ফুল ও ফল – তাম্রপাত্রে কত মরুঝাঁজ।