একজন শ্রীহীনের মধ্যে আর একজনের বসবাস ...
উল্লাসে মগ্ন কল-কোলাহল মত্ত ভাঙা মনের দুয়ার।
বইমেলা মরশুম উৎসব উৎসব সুগন্ধ লাট খাচ্ছে বাতাস
এই ঝুঁকে পড়া বিকেল, এই হেঁটে যাওয়া মানুষের ঢল
রং-রেখা ও অক্ষরে গেঁথে গেঁথে কোলাজ কোলাজ স্বপ্ন
বাজি ধরে; সাংস্কৃতিক কর্মযজ্ঞে – এই যে আমি –
আমায় তুমি কি চিনতে পারো! গোপন কথার ফুলঝুড়ি
আর অবাধ্য সেই চোখের ভেতর কাজল চোখের লুকোচুরি।
কাঁপিয়ে বিকেল নামছে শীত, খুঁজছে ওরা খুঁজছে তারা,
খোঁজার মধ্যে তুমি কি নেই? তুমি কি নেই? তুমি কি নেই?
যতই বলো অবাধ্য নও অবাধ্যতার মুচকি হাসি
উথাল পাতাল শরীর ছুঁয়ে শীত কাঁপানি শহর জুড়ে
শীত কাপানিঁ শহর জুড়ে
শীত কাঁপানি শহর জুড়ে।
খন্ড মেঘ, বিষাদ মেঘ, তালু বন্দি হৃদযন্ত্রে সুর যে তোলে
তালকানা ঐ তামসী চোখে তিরতিরানি তামাদি কাজে
খুঁজছি আমি খুঁজছো তুমি খুঁজছে ওরাও তাদের ডাকে
মগ্ন আবেশ ঝিম্ মেরেছে পায়ের নীচে ঘাসের ডগায়
কোন্ বইটি উপহারে ফিটিং হবেই তথ্য তালাশ
নামি-দামী লেখক-কবি কে হবে কার প্রিয় আপন!
হিসেব কিন্তু ঠিকই রাখো পল-মুহূর্ত কোনটা তোমার
কোন্টা কাহার কোন্টা বাহার কোন্টা দিলে শুধুই আমার!
কারিকুরির কারদানিতে কিস্তিবন্দী নয়তো হবেই কিস্তিমাত
কাকতালিও অনেক কথন কাকলীতে ভরাবে মাঠ
মনোমতো মনোনীত প্রার্থী হতে তুমি কি সেই?
অবাধ্যতার মুচকি হাসি উথাল পাতাল শরীর ছুঁয়ে শীত কাঁপানি
শীত কাপানিঁ শহর জুড়ে
শীত কাঁপানি শহর জুড়ে।
রিয়া দিয়া টিয়া না কি? না কি তোমার অন্য নাম
জুলুজুলু লজ্জা চোখে এক আকাশের খোলা চাঁদ!
মাইরি বলছি দিল জিতেছো লজ্জা কিসের আগুন ঝাঁপ
দু’চোখেতে ছড়ানো মায়ায় রইছো কেন চুপচাপ!
দেওয়া নেওয়ার উপহারে হাত কাঁপে আর মন কাঁপে
ঘোরের মাঝে বুক সাগরে দুরু দুরু শব্দ ঘোরে ফিসফাস
পাশাপাশি দু’টি ছবি স্থির-নির্বাক
সুখচ্ছবি তবুও যেন চুপচাপ সব চুপচাপ
বৃষ্টি ঝরে বৃষ্টি ঝরে দুই মনেতে সারা-মেলায় টুপুর-টাপুর টুপ্-টাপ্
ঘুম উড়ে যায়, ঘুম উড়ে যায় সারা-রাতের,
রিং-টোনেতে জেগে ওঠে তোমার আমার নিঝুম রাত
তখন মনের দহন বনে ‘বনলতা’র মায়াবী টান ঢেউ ভাঙি আর
সাঁতার কাটি হাবুডুবু খোলা বুকে চাঁদ ধরি আর আঁক কষি
মাটি তখন শিকড় ছড়ায়, শিকড় ছড়ায় জোট বাঁধার সেই বসবাস
সেই বসবাস
সেই বসবাস
|