যদিও পাখির শিষটাই জানলার এই ভোরবেলা
আমি কিন্তু কিছুই খুজছিলাম না
বরং লুকিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছি দুটো সন্ধানযন্ত্রের ফাঁকে
কালো চড়াই ইতিউতি উড়ছে বাগানে
আমাদের আপতিক ভাবনায়
মনির বাড়ী ফিরতে এত দেরী হচ্ছে কেন? আচ্ছা, মনির লাল গীটারের গর্তে কাল
মাকড়শা ঘুরতে দেখেছি
কে যেন মাকড়শার জালবোনা এঁকে দেখিয়েছিল
অনেকটা এভাবেই কালোচড়াইগুলোর ছিনিমিনি
আটতিরিশটা পাখি
মরে পড়ে আছে বাগানভোরে
ওদের মস্তিষ্ক থেকে মোড়কের মত খুলে আটতিরিশটা মানচিত্র
সাজিয়ে দেখলাম ঐ সমস্ত মেঘপথ
এসব রাস্তা আমাদের পক্ষে চেনা ...
উল্টোদিকের বাড়ী থেকে বৈমানিক ফ্রেড ও তার বিমানের বন্ধুরা এসে
সাহায্য করে, মানচিত্র পড়া হচ্ছে বাগানে ছড়ানো
এবং মৌমিতার ফিঙেটা লাফিয়ে লাফিয়ে সবুজ চা আনছে সকলের জন্যে
আজ আমার জ্যামিতি নিয়ে কিছু কাজ আছে
এই অ্যানুলাসের মধ্যে কতগুলো ৩ মি মি চতুষ্কোণকে আঁটানো যায়?
একবার ওক গাছের গুঁড়ি কেটে তার সমচ্ছেদ দেখো
আমাদেরো জীবনের হৃদয়ের চোখের ভেতরে আঙুলের ডগায়
কোথাও ঐসব ব্যবহারিক বৃত্ত
নাগরদোলার ভেতরে ঢুকে ঘুরছে ঘুরছে
কালোচড়াইদের মনের মধ্যে বাগান
এইখানে, মুখে একটু নুন দিলে আমার কবিতা তোমায় ছেড়ে দেবে।
|